আমি মধ্যবিত্ত পরিবারের বড় ছেলে
আমি এক জন মধ্যবিত্ত পরিবারের বড় ছেলে আমার জীবনের একাংশ তুলে ধরলাম
আজ ৪ অক্টবর রোজ সোমবার ২০২১ সাল । আজ আমার পরীক্ষা ছিলো ৭ম সেমিস্টরের মির্ড পরীক্ষা।
হত রাত হতে ভালো করে পড়াশোনা করতে পরি নাই, কারন মন ্ও শরীর দুটাই ভাল নাই, ১ দিকে ম্যাসের মধ্যে পুরো মানের খাবার বিল সহ আনিুসাঙ্গিক বাকী। একদিকে মিল ম্যানেজারের যত কথার চাপ অন্য দি্ চা্উল ম্যানেজাররে মিল বন্ধ করে দ্ওেয়ার হুমকী। তাহলে কাব কি তার টেনশন, পকেট তো ফাঁকা। সারা রাত পড়ার টেবিলে বসে থেকে ১ লাইন পড়া ধরে রাখতে পারি নাই। সারাদনি প্রচন্ড বৃষ্টির কারনে আবহা্ওয়া ঘুম ঘুম ভাব,ব্যাগ হতে ছাতাটা বের করে নিলাম তারপর রাত জেগায় শরীলে সকাল ৯.০০ টায় ফ্রেশ হয়ে কিছুক্ষন পড়ে পরীক্ষা দিতে গেলাম । কিস্তু পরীক্ষা মোটামুটি কমন ছিলো কারন আগের একটু বই পড়া ছিলো। পরীক্ষা হল থেকে বের হয়ে দেখি বন্ধুদের ইন্টার্নিং বিষয়ে কথা বার্থা চলছে , কিন্তু িআমি ডিশিসন নিতে পারলাম না কোথায় যাবো কারন ফাঁকা পকেটে কোন সিদ্ধান্ত সফল হয় না । শেষ মেশ সেখান হতে বিদায় নিয়ে ম্যাস এসে দুপুরের খাবার খাইলাম ৩.০০ টায় । মনের করলাম যে একটু শান্তিতে ঘুমাব, বলে বিছানায় কম্বলটা নিয়ে শুয়ই লাম , ঘুম ঘুম ভাব অবস্থায় শুনতে পেলাম ম্যাস মালিকের কথা রুম ভাড়া নিতে এসেছে, কিন্তু হুট করে মনে লেগে গেলো যে পেকেট েতো টাকা নেই কি জব্বাব দিব?
মালিক রুমের দরজা সক করল, খুলে দিলাম ভিতরে আসতে বললা, । ভিতরে এসে খাতা বের করে রুম ভাড়াটা চাইল কিন্তু পকেট েটাকা নেই বলে, কিছুদনি সময় পা্ওয়ার জন্য অনেক গালিগালাছ করল এবং সাথে অনেক বাজে ভাষা ব্যবহার করল।কিছু লতে পারলম না আমার সেই কথা গুলো শুনে চোখ টলমল হয়ে গেলো । বাষায় ফোন দিতে বলল কিন্তু বাসায় তো বাবা অসুস্থ এই কথা কিভাবে জানাবো । উপায় না পেয়ে ম্যাচের বড় ভাইকে ফোন করে মালিকের সাথে কথা বলায় ৩ দিন সময় নিলাম টাকা দে্ওেয়ার । কিন্তু বাসায় টাকা চাইব কোন কথায় অবস্থা খারাপ কারন ৩ দিন আগে বাসা থেকে ৩০০০ হাজার টাকা নিয়া ৭ম সেমিস্টার ফরম পুরন করছিলাম । সারাদিন মাথায় চাপ নিয়ে বসে ঘুম নাই, কি করব জানি না , সেই মহুর্ত মনে পরল এই দিনটা স্মরণী হয়ে রাখার জন্য লেখতে বসলাম। সেই মুহুর্তে মা ফোন দিলো, কেমন আছি কি খাইলা জিজ্ঞাস করল মাকে বললাম কিন্তু পাশে বাবার কন্ঠে শুনতে পারলাম বাড়ি আসবে কোনদিন , দূর্গা পূজাতো বাকি আর ৫ দিন।আমি বললাম যে আওরা ৭ দিন পর যাবো মির্ড পরীক্ষা শেষ করে। বাবা েকেমন আছেন জিজ্ঞাস করলাম, উত্তর বলল ভালো আছে কিন্তু বলল যে সব ্ওষুধ ফুরিয়ে গেছে। ঔষুদ এনে দ্ওেয়ার লোক নেই অন্যদিকে টাকা্ও সংকট। বলল আমার হুদয়টা ভেঙ্গে গেলো চোখের জল ধরে রাখতে পারসি না কি উত্তর দিব । বাবা ১ জন উচ্চরক্তচাপ ্ও হার্টের রোগী নিয়মিত(প্রতিদিন) মেডিসিন খায় । কি করার বললাম যে কারো সাহায্যে ১০ দিনের মেডিসিন কিনে এনে চালান আমি ১১ তারিখ বাসা যাবো । বলে ভালো থাকবেন বলে ফোনটা কেটে দিলাম। যদ্ওি কান্না থামাতে পারসি না তবু্ও চোখে জল ঝড়ছে । আগমি িকাল পরীক্ষা আছে সে কথাটা আর মনে পড়তাছে না শুধু বাবার কথা মনে পরচে াক করি আমি একন কারন আমার টিউশনি ২০২০ সালের মার্চ মাস হতে বন্ধ আর খুজে পাই নি শহরে টিউশনি পা্ওয় খুবই কঠিন । আমার তো আর কোন সোর্স নেআ যে বাবারক কিছু বলে সান্তনা দিব। নিজেকে খুবই অসহায় মনে হচ্ছিলো
জানিনা জীবটা কি ভাবে চলবে ।
No comments